নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি ২ নেতা-কর্মীসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো: শহীদুল ইসলাম তার সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো জানান, আসামি ইমরান হোসেন নিশান আগে গ্রেফতার আব্দুর রহিম সুজনসহ কয়েকজন মন্দিরে লুটপাট করে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেন। আসামি নিশান ৮ হাজার টাকা ভাগে পান। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫০০ টাকা তিনি খরচ করেন। বাকি ২ হাজার ৫০০ টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামিদের মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন সুধারাম থানার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: সুমন (৩৩), চৌমুহনী পৌরসভার মীরওয়ারিশ গ্রামের বিএনপির সমর্থক মো: ইউসুফ (৩০), বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের ইমরান হোসেন নিশান (২০), একই ওয়ার্ডের মো: রনি (২০), চৌমুহনী পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের আক্তারুজ্জামান (৫০), সোনাইমুড়ী উপজেলার রবিউল হোসেন ওরফে রনি (৩২), লক্ষীপুর সদর উপজেলার সাহেদুল ইসলাম (২২) ও হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ছেরাজুল হক বেচু (৪২)।

সোমবার জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ বিএনপির ২ নেতা-কর্মীসহ এই আটজনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে বেগমগঞ্জ থানার মামলায় ১৪ অক্টোবর গ্রেফতার হওয়া মো: আলী আজগর (২২), মো: নুরল ইসলাম সুমন (২২), মো: নুরল ইসলাম জীবনকে (২২) মঙ্গলবার নোয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সোনিয়া আক্তারের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।