গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গাছে বেঁধে রাখা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তোফাজ্জল হোসেনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। শনিবার তাকে সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আবদুল্লাহিল জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তোফাজ্জল হোসেনকে কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাত ১০টার দিকে তোফাজ্জল হোসেন ছড়ারপাতা গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে আসেন। পরে গোয়ালঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ওই নারীর সাথে তাকে দেখে ফেলেন এক প্রতিবেশী। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর উত্তেজিত জনতা তোফাজ্জলকে আটক করে বাড়ির উঠানের একটি আম গাছের সাথে বেঁধে রাখেন। পরে খবর পেয়ে সুন্দরগঞ্জ থানা ও কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী আরো জানান, কিছুদিন আগে ওই নারীর স্বামীর সাথে তার ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। পরে ওই নারী বাদি হয়ে ভাসুরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করছিলেন এএসআই তোফাজ্জল হোসেন।
তবে মামলার বাদি ওই নারীর দাবি, তোফাজ্জল হোসেনের সাথে তার কোনো সখ্য বা প্রেমঘটিত কোনো বিষয় নেই। পূর্ব পরিচিতির কারণে রাতে তাকে বাসায় দাওয়াত করেছিলেন তিনি।
তদন্ত করতে গিয়ে সখ্য
গোয়ালঘরে নারীর সাথে আটক পুলিশ প্রত্যাহার
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গাছে বেঁধে রাখা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তোফাজ্জল হোসেনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। শনিবার তাকে সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ি পুলিশ...



