মাগুরায় দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টিতে নৌকার প্রার্থী, ২টিতে নৌকার বিদ্রোহী ও ১টিতে ইসলামী আন্দোলনের চেয়ারম্যান প্রার্থী বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের বিজয়ীরা হলেন - কছুন্দি ইউনিয়নে আবুল কাসেম, গোপালগ্রাম ইউনিয়নে মো: নাসিরুল ইসলাম মিলন, মঘি ইউনিয়নে হাসনা হেনা, রাঘবদাইড় ইউনিয়নে আশরাফুল আলম বাবুল ফকির, চাউলিয়া ইউনিয়নে হাফিজুর রহমান, জগদল ইউনিয়নে মো: রফিকুল ইসলাম, আঠারখাদা ইউনিয়নে সঞ্জীবন বিশ্বাস।
বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন - বেরইল পলিতা ইউনিয়নে এনামুল হক রাজা (ঘোড়া), কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে জাহিদুর রহমান টিপু (আনারস)।
শত্রুজিৎপুর ইউনিয়নে চেযারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইশা আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি মাওলানা মো: ওসমান গনি (হাতপাখা)।
এছাড়া হাজিপুর ইউনিয়নে মোজাহারুল হক আকরোট ও হাজরাপুর ইউনিয়নে কবির হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। বগিয়া ইউনিয়নে সীমানা জটিলতায় হাইকোর্টের মামলায় নির্বাচনের আগের রাতে ভোট স্থগিত করা হয়।
কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তির্পূণভাবে এসব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে যে জগদল ইউনিয়নে নজরুল ও সৈয়দ হাসান নামে দুই মেম্বার প্রার্থীর বিরোধে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ৩ নম্বর ওর্য়াডে সৈয়দ হাসান ৯৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর জগদল ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ সদস্য প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যা মামলার প্রধান আসামি জেলহাজতে থাকা নজরুল মোল্ল্যাও নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী ছিলেন।



