গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুরে ইউপি নির্বাচনে পরাজিত হয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে লাঞ্ছিত, পোলিং এজেন্ট, বিজয়ী প্রার্থীর ওপর হামলা ও ভোটকেন্দ্র ভাঙচুর করে ব্যালটবাক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী সেলিম মোল্যা ও তার সমর্থকরা। এতে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পোলিং এজেন্ট এস এম আব্দুল্লাহ ও সাইফুল সরদার এবং বিজয়ী ইউপি সদস্য রাজু শিকদার গুরুতর আহত হন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুইশুর ৯ নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। চার দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় বিজয়ী ইউপি সদস্য রাজু শিকদারের ছোট ভাই রোমান শিকদার বাদি হয়ে ১২ জনকে আসামি করে কাশিয়ানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। কাশিয়ানী থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফিরোজ আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী সেলিম মোল্যা দুই ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি এ ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় দু’বার ভোট গণনা করান। তাতেও জয়ী না হতে পেরে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বহু লোকজন নিয়ে ভোটকেন্দ্র ঘিরে ফেলেন এবং ভোটকেন্দ্রের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ব্যালটবাক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে আমাকে লাঞ্ছিত ও দায়িত্বরত পুলিশ, পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা চালান।
কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্র নাথ রায় বলেন, পুলিশকে বাদি হয়ে মামলা দায়েরের কথা বলা হয়েছে। তবে বিজয়ী ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি কঠোরভাবে তদারকি করা হবে।