পটুয়াখালীর বাউফলে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পিস্তল ও চাকু বের করে একজন অন্যজনকে আক্রমণ করতে গেলে উপস্থিত লোকজন তাদের নিবৃত করেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ইউএনওর অফিস কক্ষের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও দাশপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান এ এন এম জাহাঙ্গির হোসেন উপজেলা পরিষদ ভবনের দোতলায় নির্বাহী অফিসারের কক্ষের দিকে যাচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কনকদিয়া ইউপির চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বসা ছিলেন। এ সময় দুইজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি হয়। এক পর্যায়ে ডাকচিৎকার শুনে ইউএনও আল আমিন তার কক্ষ থেকে বের হয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং দুই চেয়ারম্যানকে দুই দিকে সরিয়ে দেন। এ নিয়ে কিছু সময়ের জন্য পরিষদ এলাকায় দুই চেয়ারম্যানের অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার পর পরিবেশ স্বাভাবিক হয়।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, ‘চেয়ারম্যান শাহিন আমার ওপর হামলা করেছেন। ঘটনাটি আমি মৌখিকভাবে বাউফল থানার ওসিকে জানিয়েছি। তাকে লিখিত ভাবেও জানাব। এ ছাড়াও ইউএনও স্যারের মাধ্যমে লিখিতভাবে বিষয়টি ডিসি স্যারকে জানাব।’
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেন, ‘দাশপাড়ার চেয়ারম্যান আমাকে দেখে তার রাসেল নামের এক অনুসারীকে বলেন, ‘ওই গুণ্ডা যায়।’ আমিও তখন তাকে মন্দ কথা বলি। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির বলেন ধর শ্যালাকে। এরপর তার অনুসারী রাসেল চাকু বের করে আমাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে আমি কিছুটা সরে যাই। এ সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির পিস্তল বের করলে আমি ডাকচিৎকার দিলে ইউএনও স্যার এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।’
বাউফল থানার ওসি আল মামুন বলেন, দুই চেয়ারম্যানই মৌখিকভাবে ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন।
ইউএনও আল আমিন বলেন, এ ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের এ আচরণ কাম্য ছিল না। ঘটনাটি আমি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি।’



