নোয়াখালীর সদর উপজেলার ৯ নম্বর কালাদরাফ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর (মোটরসাইকেল প্রতীক) সমর্থকদের ওপর পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার রাতে ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শুল্লুকিয়া হাজী করমুল্ল্যাহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর দুই সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১ সমর্থক আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নুরুল আলম (৫৫) ও সুলতান (৬০) ও গায়ক (৩৯)। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ আকস্মিক করমুল্ল্যাহ বাজারে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাংচুর চালায়। এ সময় কার্যালয়ে বসা দুই সমর্থককে পিটিয়ে আহত করে এবং কার্যালয়ে থাকা চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে।
তিনি বলেন, এরপর নুরুল আমিন তাদের ৩টি মোটরসাইকেল ভেঙে তাদের কয়েকজন আহত হওয়ার নাটক সাজায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল আমিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার নেতৃত্বে নৌকা প্রতীকের কোনো নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর করা হয়নি। বরং রোববার রাতে নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরাই তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৩টি মোটরসাইকেল ও তার বসত ঘরের কাচের জানালা ভাংচুর করে।
সুধারম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাহেদ উদ্দিন বলেন, নির্বাচনী বিরোধে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নৌকা প্রার্থীর একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
অপর দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাড়িতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকরা পাল্টা হামলা চালিয়ে ৩টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে ও ঘরের কাচের জানালা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।






