কোনো অবস্থায় হাতি মারা যাবে না। হাতি মারা একটি অন্যায় কাজ। আর বিদ্যুতের লাইন দিয়ে হাতি মারা ডাবল অন্যায়। আপনার জমির পাশ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন বসিয়ে রাখবেন, আর হাতি আসলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যাবে। এটা অমানবিক। এটা হতে পারে না। এটা কোনো অবস্থায় মেনে নেয়া যায় না। হাতি হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের কোনো অবস্থায় ক্ষমা করা হবে না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার দেওদীঘি কে এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এসব কথা বলেন।

বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুউদ্দিন নদভী, অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব, বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা-তুজ জোহরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আ ন ম সেলিম চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, হাতির চলার পথে ঘর করবেন, হাতি সেটা মেনে নেবে না। হাতির যে খাবার হাতির চলাচলের যে রাস্তা আমরা মানুষেরা সেটা বন্ধ করে দিয়েছি। পাহাড়ে হাতি খাবার পচ্ছে না, সে কারণে হাতি আজকে খাবারের সন্ধানে আপনার আঙিনায় চলে আসছে। তাই বলে আপনি হাতি মারতে পারবেন না। হাতি মানুষের ক্ষতি করলে মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। আপনি হাতি মারলে বহির্বিশ্বে আপনার এলাকার, আপনার জনপ্রতিনিধির, দেশের ও দেশের সম্মানহানী হচ্ছে। তাই হাতি-মানুষের দ্বন্ধ চিরতরে নিরসন করতে হবে। হাতি হত্যা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। পাহাড়ে হাতির খাবারের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।