চুযাডাঙ্গা সদর উপজলোর ৪টি ইউনয়িনে সহসিংসতার মধ্য দিয়ে চলছে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট কারচুপি, বিক্ষিপ্ত সহিংসতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী।

এদিকে সহিসংতার খবর পেয়ে কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও ভোট কারচুপির অভিযোগে উত্তেজিত জনতার রোষানলে পড়েছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও পুলিশ সুপার (এসপি) জাহিদুল ইসলাম।

রোববার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নবীননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এ ঘটনা ঘটে।

তবে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘তাদের অভিযোগটি ভিত্তিহীন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।’

জানা গেছে, রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যান। বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিলমারার অভিযোগে কুতুবপুর ইউনিয়নের নবীননগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে জনগণের রোষানলে পড়েন তারা। সেখানে তাদের ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার তাদের কাছ থেকে অভিযোগ শোনেন। তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে ২০ মিনিট পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। পরে সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা শান্ত হয়। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। তাদের অভিযোগটি ভিত্তিহীন ছিল। জেলার চারটি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।

তিনি আরো বলেন, আলুকদিয়া ইউনিয়নে ভোটকেন্দ্রের সামনে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জনকে কুপিয়ে আহতের খবর ছাড়া অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া, মোমিনপুর, পদ্মবিলা ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ সদস্য পদে ১৫৪ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।