চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত। সাথে সাথে কুয়াশা ও হিমেল বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের মাত্রা। শীতের প্রকোপে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। ভোর থেকেই কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিলো চারপাশ। বেলা বাড়লেও মিলেনি রোদের দেখা।

গত ২০ ডিসেম্বর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই মওসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

প্রচণ্ড শীতে ঠাণ্ডাজনিত রোগও বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা ডায়রিয়া ও ঠাণ্ডাজনিত রোগে বিপুলভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এই ধরনের রোগীতে পূর্ণ হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে অনেকেই বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ আকরাম বলেন, ‘শীত বাড়ায় ঠাণ্ডায় বেশি কাতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে শিশু ও বয়স্ক মানুষের। শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আজও কয়েকজন বয়স্ক মানুষ ও শিশু হাসপাতালে এসেছেন। এ ছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত কয়েকটি শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনর্চাজ সামাদুল হক জানান, ‘ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকেই জানুয়ারির এই প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। মাঝে মাঝে দুই একদিন তাপমাত্রা বাড়লেও পরদিন আবার তা নেমে আসে। এভাবে গত ২০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশা। আজ এই জেলায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।’