রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি-পাংশা সড়কের বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদ গেটের কাছে লেকে ও সড়কের পাশে প্রতিদিনই ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ফলে ময়লা-আবর্জনা স্তূপে পরিণত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। দুর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পথচারীসহ সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা পরিষদ গেট এলাকাটি ব্যাটারিচালিত অটোবাইক স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে কিছুদিন যাবৎ লেকের পাড়ে ময়লা ফেলা হচ্ছে। প্রশাসন একাধিকবার ময়লা-আবর্জনা ফেলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিলে ২-১ দিন ময়লা ফেলা বন্ধ থাকে। অনেকে রাতের অন্ধকারে ময়লা ফেলে চলে যায়।
বালিয়াকান্দি বাজারের ময়লা-আবর্জনা চন্দনা নদীতে ফেলা হলেও বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন সংলগ্ন উপজেলা পরিষদ গেটের লেকে ফেলা হচ্ছে। সড়কের পাশে হওয়ার কারণে বাজারের অনেক ব্যবসায়ী সহজেই তার ময়লা ফেলে দিয়ে যান। প্রশাসনের কঠোর হুঁশিয়ারিতে বেশ কিছুদিন ময়লা ফেলা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বাজারে ময়লা ফেলার পাত্র প্রদান করায় ব্যবসায়ীরা ওই পাত্রে ময়লা ফেলে রাখে। বাজারের পরিছন্নতাকর্মীরা ওই ময়লা ভ্যান গাড়িতে করে এনে নিয়মিত লেকে ফেলতে শুরু করেছে। ময়লা ফেলার সঠিক ব্যবস্থাপনা ও নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকায় সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। বরং ময়লা ফেলার কারণে লেকের বিপরীত পাশের ব্যবসায়ীরা পড়েছে চরম বিপাকে। দুর্গন্ধ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ময়লা ফেলতে আসা বাজারে পরিছন্নতাকর্মীরা বলেন, আমাদের বাজারের ইজারাদার ফেলতে বলেছে, তাই ময়লা ফেলছি। নিষেধ করলে আর ফেলবো না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হাসিবুল হাসান বলেন, ওই লেকের পাড়ে কোনো ময়লা ফেলার অনুমতি নেই। আমি বাজার ইজারাদারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।