পটুয়াখালীর বাউফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয়বার মেয়র হতে যাচ্ছেন বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল।

বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। মেয়র পদে জিয়াউল হক ছাড়া অন্যকোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

জেলা রিটার্নিং ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি। ওই দিন তাকে (জিয়াউল) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মেয়াদ শেষ হলেও সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলার জটিলতার কারণে বাউফল পৌরসভা নির্বাচন আটকে ছিল। সর্বশেষ ২০১২ সালের ২২ মে বাউফল পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক মেয়র নির্বাচিত হন। জিয়াউল দায়িত্ব নেয়ার ১৪ দিনের মধ্যে পৌরসভাটি তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়।

পরে পৌরসভার সীমানা বাড়িয়ে আবার পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয় এবং উন্নয়ন করা হয়। তবে ওই সময় বাউফল সদর, নাজিরপুর, দাসপাড়া ও মদনপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দারা একাধিক মামলা করেন। এ কারণে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ওই চার ইউনিয়ন ও বাউফল পৌরসভার নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়।

তবে গত ২৭ ডিসেম্বর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আসম ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় বর্তমান মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে বাদ দিয়ে দাসপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের নাম জেলায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগ বর্তমান মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের নাম কেন্দ্রে পাঠান।