বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক ইউসুফ আলীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে তালতলী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সড়কের বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই সাংবাদিক ইউসুফ আলী তালতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে তালতলী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ইউসুফ আলিকে মিজানুর রহমান নাদিমসহ কতিপয় সন্ত্রাসীরা নিয়মিত হুমকি-ধামকি ও বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে আসছেন। গতকাল বিকেলে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক ইউসুফ আলীর তালতলী বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিকে এসে অহেতুক তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে মিজানুর রহমান নাদিম (২৭), তার বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) ও তার মামা তালতলী কলেজের কেরানি খলিলুর রহমান (৪৭) এসে বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিকের ভেতরে ঢুকে তার সাথে তর্কে যোগ দেন। একপর্যায়ে তার গায়ের চেয়ার ছুড়ে মারেন। এ সময় ল্যাপটপ, প্রিন্টার, আসবাবপত্র ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। তাকে শারীরীকভাবে লাঞ্ছিতও করা হয়। এ সময় তাকে খুন জখম করার হুমকি দেন। পরে আশপাশের দোকানদাররা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

সাংবাদিক ইউসুফ আলী বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে মিজানুর রহমান নাদিম, তার বাবা ও মামা গতকাল বিকেলে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে আসবাবপত্র ও চেম্বারের মালামাল ভাংচুরের চেষ্টা করে। আমাকে খুন জখমের হুমকি দেয়।

স্থানীয়রা জানান, মিজানুর রহমান নাদিম ও তার লোকজন বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিকে এসে সাংবাদিক ইউসুফ আলীর ওপর হামলা করে। এ সময় তিনি প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে ল্যাপটপ চেয়ার ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

তালতলী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ইউসুফ আলী একজন প্রবীণ সাংবাদিক, তার ওপর এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, গতকাল রাতেই ইউসুফ আলীর পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।