কুড়িগ্রাম গণপূর্ত বিভাগে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে গণপূর্ত বিভাগ গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী আবিল আয়ামের বিরুদ্ধে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কারচুপি করে কিছু ঠিকাদারকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে কুড়িগ্রাম গণপূর্ত বিভাগে এপিপির তিন কোটি ১০ লাখ টাকার বরাদ্দ আসে। এই টাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আবিল আয়াম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেওয়ান মাওদুদুর রহমানের যোগসাজশে কিছু ঠিকাদারের কাছ থেকে ১০ শতাংশ হারে টাকা গ্রহণ করে এলটিএম পদ্ধতিতে টেন্ডার না করে ওটিএম ১০ শতাংশ বারে প্রাক্কলিত মূল্য গোপন রেখে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এতে সরকারের লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কুড়িগ্রামে গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত অন্যান্য ঠিকাদাররা। এ নিয়ে গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার বলেন, করোনাসহ নানা দুর্যোগে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে নিদারুণ কষ্টে আছি। আমরা গণপূর্ত বিভাগের আগের সম্পন্ন কাজের কোনো বিল পাইনি। আমরা আশা করেছিলাম অন্তত কিছু বিল প্রদান করে নির্বাহী প্রকৌশলী আবিল আয়াম বাকি টাকার টেন্ডার এলটিএম পদ্ধতিতে করবেন। কিন্তু তিনি তা না করে কিছু ঠিকাদারের কাছ থেকে ১০ শতাংশ হারে উৎকোচ নিয়ে পুরো টাকার টেন্ডার ওটিএম পদ্ধতিতে করায় আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। সম্পন্ন কাজের পাওনা টাকা না পেয়ে এবং নতুন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে না পেরে আমরা পথে বসার উপক্রম হয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনার পাশাপাশি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। এ ব্যাপারে এখনো কিছু জানি না।