ব্যাপক সংঘর্ষ, গোলাগুলি, হত্যা ও ভোটকেন্দ্র দখলের মধ্যে দিয়ে সপ্তম ধাপে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ১৬টি ইউনিয়নের ১২টিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোট অনুষ্ঠান শেষে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী, দুইটিতে বিদ্রোহী ও দুইটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ছয়টি বিজয়ের মধ্যে চারটিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া অন্য দুটি ইউপির তিনটি কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- চরতী ইউনিয়নে মো: রুহুল্লাহ চৌধুরী (নৌকা), ঢেমশা ইউনিয়নে মির্জা আসলাম সরওয়ার (স্বতন্ত্র, মোটরসাইকেল), ধর্মপুর ইউনিয়নে নাসির উদ্দিন টিপু (নৌকা), কালিয়াইশ ইউনিয়নে হাফেজ আহমদ (নৌকা), নলুয়া ইউনিয়নে মো: লেয়াকত আলী (নৌকা), ছদাহা ইউনিয়নে মোরশেদুর রহমান (স্বতন্ত্র, মোটরসাইকেল) সোনাকানিয়া ইউনিয়নে মো: জসিম উদ্দিন (নৌকা), পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নে মো: রিদুয়ানুল ইসলাম (বিদ্রোহী, আনারস) আমিলাইশ ইউনিয়নে মোজাম্মেল হক চৌধুরী (বিদ্রোহী, টেলিফোন) বাজালিয়া ইউনিয়নে তাপস কান্তি দত্ত (নৌকা)।
তাছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন- কেঁওচিয়া ইউনিয়নে ওসমান আলী (নৌকা), পুরানগড় ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আ ফ ম মাহবুবুল হক সিকদার (নৌকা), সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নে মো: সেলিম উদ্দিন (নৌকা) ও মাদার্শা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবু নাঈম মো: সেলিম চৌধুরী।
এদিকে নির্বাচনী ফলাফল স্থগিত থাকা দুই ইউনিয়নে মো: আকতার হোসেন (নৌকা) ও কাঞ্চনা ইউনিয়নে রমজান আলী (নৌকা) প্রাপ্ত ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে অনেক ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।



