মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকসহ জনবল সঙ্কট রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কয়েক লাখ মানুষ। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন, পৌরসভাসহ পার্শ্ববর্তী কোটালীপাড়া, মুকসুদপুর ও ভাংগা উপজেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক রোগী এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও হাসপাতালে চিকিৎসক সঙ্কট থাকায় কার্যত সেবার মান উন্নত হচ্ছে না। এদিকে শীত মৌসুমে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক মানুষ হাসপাতালে আসছেন চিকিৎসা নিতে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য ও সরেজমিন ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও জনবল রয়েছে সেই ৩১ শয্যার। ২৬ জন চিকিৎসক থাকার কথাা। আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও), একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশু, একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ, একজন কার্ডিওলজি, একজন অ্যানেসথেশিয়া, একজন দন্ত, একজন চক্ষু, একজন চর্ম ও যৌনরোগসহ ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ রয়েছে। জুনিয়র কনসালট্যান্টের ১০টি পদের ৯টি শূন্য। এদের মধ্যে অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক যোগদান করলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি অনুপস্থিত। এ ছাড়া ১৬ জন মেডিক্যাল অফিসার থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র মিলিয়ে ছয়জন মেডিক্যাল অফিসার চিকিৎসা দিচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ডাক্তার সঙ্কটের কথা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সীমিত জনবল নিয়ে করোনা মহামারিসহ শীতকালীন রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক হলেই সিজারিয়ান অপারেশন শুরু করা যায়।



