নোয়াখালীর চাটখিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী মনির হোসেনকে (৩৬) ধরতে গেলে পুলিশের ওপর তার হামলায় আহত হয়েছেন চাটখিল থানার ওসি-তদন্ত হুমায়ন কবির। রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

সন্ত্রাসী মনির উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সামনে ককটেল ফাটিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় খবর পেয়ে চাটখিল থানার ওসি-তদন্ত হুমায়ন কবির সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে তাকে আটক করতে গেলে সন্ত্রাসী মনির পুলিশের উপর হামলা করে বসে। এতে ওসি (তদন্ত) হুমায়ন কবির আহত হন।

সন্ত্রাসী মনির উপজেলা বারইপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মনির দীর্ঘ দিন থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ চেষ্টাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে চাটখিল সরকারি কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং করে আসছে। এছাড়া ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। এরপর ফেরিওয়ালার টাকা লুট করে নেয়াসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তার অস্ত্রের ভয়ে কেউ তার নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছে না।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ অনেকের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সে নিজেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট আত্মীয় পরিচয় দিয়ে থাকে। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্পিকারের পরিবারের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নাই। সে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার গ্রেফতারের খবর শুনে চাটখিল বাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। এলাকাবাসী তার বিচার দাবি করেছে।

চাটখিল থানার নবাগত ওসি মো: গিয়াস উদ্দিন জানান, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।