চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ শিলাবৃষ্টি হয়েছে। রোববার বিকেল ৩টা ১০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৫০ মিনিট স্থায়ী এ শিলাবৃষ্টিতে এলাকার ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
শিলা ও ঝড়ো বৃষ্টিতে ফসলের সাথে সাথে ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের বাড়িঘরেরও। অনেক জায়গায় দেখা গেছে, টিনের ঘরসহ কাঁচা ও আধাপাকা বেশ কিছু স্থাপনা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
এর আগে এ এলাকায় কবে এরকম শিলাবৃষ্টি হয়েছিল তা বলা মুশকিল। বৃষ্টির সাথে এত পরিমাণ শিলা পড়ছিল যে, মাটির ওপর শিলার স্তুপ হয়ে যায়। এখনও থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। মুরুব্বিরা বলছেন, তাদের জীবনে এমন শিলা পড়তে দেখেননি তারা।
চুয়াডাঙ্গায় আবহাওয়া ও কৃষি অধিদফতর বলছে, চুয়াডাঙ্গাবাসী আগে এমন শিলাবৃষ্টি দেখেননি। কৃষকদের ফসলের এমন ক্ষয়ক্ষতি আগে কখনো হয়নি। এই শিলাবৃষ্টির কারণে বিশেষত ভুট্টার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও কুল, তরমুজ, আম, পান, তরমুজ, তামাক, টমেটোসহ সব ধরনের সবজিরই কমবেশি ক্ষতি হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার তালহা জুবায়ের নিউটন বলেন, শিলাবৃষ্টির পর আমি ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছি। সদর উপজেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভুট্টা। সব উপজেলার ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে একটু সময় লাগবে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, এমন শিলাবৃষ্টি চুয়াডাঙ্গাবাসী আগে কখনো দেখেছে কিনা জানি না। দুপুর ৩টা ১০ থেকে ৪টা পর্যন্ত ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। ওই সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের বেশি।



