গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় তিন জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় সাবেক চেয়াম্যান ইকবাল গাজীর লোকজন অপর প্রার্থী নাইচ গাজীর বাড়িতে হামলা করে নাইচ গাজীসহ তিন জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ইকবাল গাজী তার লোকজন নিয়ে ডুমদিয়া গ্রামে নাইচ গাজীর বাড়িতে হামলা করে। এ সময় তাদের বাড়ি ঘর ভাঙ্চুরসহ কুপিয়ে ও পিটিয়ে গরুত্বর আহত করা হয়।

নাইচ গাজীর বাবা মুক্তিযোদ্ধা দাউদুর রহমান মিন্টু গাজী বলেন, আজ আমার বাড়িতে এতিমদের নিয়ে একটি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় উরফি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল গাজীর নেতৃত্বে তার ভাই ইমরান গাজী, জসিম গাজী, অসিম গাজী, সোহেল গাজীসহ ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা আমার বাড়ি, গাড়িসহ এতমিদের জন্য রান্না করা সব খাবার নষ্ট করে ফেলে।

তিনি বলেন, এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আমার ছেলে নাইস গাজী, মাসুম গাজীসহ স্ত্রী নুরি বেগমকে জখম করে। বর্তমানে তারা গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে নাইস গাজীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই ইকবাল হোসেন বলেন, আজ নাইচ গাজীর বাড়িতে এতিম ও মাওলানাদের নিয়ে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এ সময় ইকবাল গাজী লোকজন নিয়ে হামলা করে। এ ঘটনায় ইকবাল গাজীসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।