দৈনিক সংগ্রামের টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা ও কলেজ শিক্ষক এস এম মনিরুজ্জামান (৫২) ইন্তেকাল করেছেন।
বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত মনিরুজ্জামান ঢাকার মহাখালী শেখ রাসেল গ্যাস্টোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৪টায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তিনি প্যানক্রিয়াস ইনফেকশন, ডায়াবেটিস ও প্রেসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ছিলেন। গত বুধবার তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।
তার স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের সাথে টাঙ্গাইল শহরের কোদালিয়ায় তিনি বাস করতেন।
এস এম মনিরুজ্জামান সাংবাদিকতার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া টি আর কে এন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন। তার মৃত্যুর খবরে টাঙ্গাইলের সাংবাদিক মহল ও শিক্ষকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের কোদালিয়ায় কেডি মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদ জোহর তার কর্মস্থল কালিহাতীর নারান্দিয়া টি আর কে এন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দ্বিতীয় এবং বাদ আসর তার নিজ এলাকা ভূঞাপুরের ছাব্বিশায় তৃতীয় জানাজা নামাজ শেষে স্থানীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব ও শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে।
জামায়াতের শোক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার শূরা সদস্য, টাঙ্গাইল পৌরসভার কর্মপরিষদ সদস্য এবং দৈনিক সংগ্রামের টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা ও কলেজশিক্ষক এসএম মনিরুজ্জামান বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার ভোরো (৫২) ঢাকাস্থ গ্যাস্টোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। তিনি স্ত্রী, ১ কন্যা ও ৩ ভাইসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল কেডি মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা, তার কর্মস্থল দারান্দিয়া কলেজ মাঠে বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাযা এবং নিজ উপজেলা ভূঁইয়াপুরের ছাব্বিশা গোরস্থান মাঠে তৃতীয় জানাযা শেষে তাকে সেখানেই দাফন করা হয়েছে।
এদিকে মনিরুজ্জামানের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান।
সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক শোকবাণীতে তিনি বলেন, এসএম মনিরুজ্জামানের ইন্তেকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তার অনেক অবদান রয়েছে। আমি তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরো বলেন, তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন। তার গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তার জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।






