নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব। সাংবাদিক মুজাক্কির ও সিএনজি চালক আলা উদ্দিনের হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করবেন না। হত্যায় হত্যা ডেকে আনে, আরো হত্যা সংঘটিত হয়। আপনাকে বলে দিচ্ছি এ দুইজনের হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ওপর দিন, দেখবেন সঠিক খুনিদের নাম বের হয়ে আসবে।
তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালে ৯ মার্চ আমাকে হত্যা করার জন্য আমার পৌর কার্যালয়ে দুই হাজার রাউন্ড গুলি ছুড়েছে, আমার সমর্থিত শত শত নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পুলিশের ওসি রবিউল ও রনি, অপরাজনীতির হোতা খিজির হায়াত, বাদল, রাহাত, মঞ্জু ও কানা রাজ্জাকের নেতৃত্বে ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইসরাতুন্নেছা কাদের, নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী ও ফেনীর এমপি নিজাম হাজারীর নির্দেশে এ হামলার ঘটনা ঘটায়।
তিনি গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বসুরহাট পৌরসভার বটতলায় তার অনুসারী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত কালো দিবস ও বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরী বাবুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি হাসান ইমাম বাদল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো: ইউনুছ, বসুরহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশের আগে বসুরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বসুরহাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌরসভা কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।