মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ই-পাসপোর্টের মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বিশ্বের সর্বাধুনিক ই-পাসপোর্ট পাওয়ার পথ সুগম হলো।
মালদ্বীপ কনস্যুলেটের ওয়েলফেয়ার এসিস্ট্যান্ট আল মামুন পাঠানের সঞ্চালনায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোসাম্মৎ শাহানারা খাতুন (অতিরিক্ত সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ (ভারপ্রাপ্ত)।
গত রোববার বেলা ১১টায় মালদ্বীপের হুলেমালে বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে ই-পাসপোর্টের যাত্রা শুরু হয়। ছয়জন প্রবাসী বাংলাদেশীর ই-পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন কার্যক্রম শুরু করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোসাম্মৎ শাহানারা খাতুন (অতিরিক্ত সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)।
ওই অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম (পিএসসি উপ-প্রকল্প পরিচালক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প), মালদ্বীপ হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, প্রবাসী শিক্ষক মীর সাইফুল ইসলাম (মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা) মালদ্বীপের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও গ্লোবাল রীচ প্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়া সিআইপি মো: সোহেল রানা, প্রবাসী শিক্ষা উদ্যোক্তা ও মিয়াজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ মোত্তাকি, মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ দুলাল মাতবর, মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন প্রমুখ।
এ উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী আরো নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্যতার অধিক তথ্য সংরক্ষণের জন্য অত্যাধুনিক চিপের অন্তর্ভুক্তি, উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য, বৈধতার মেয়াদ বৃদ্ধি ও স্মার্ট ইমিগ্রেশনসহ বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নত স্তরে উপস্থাপন করতে সহযোগিতা করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ বলেন ই-পাসপোর্ট চালুর ফলে প্রবাসীদের ভোগান্তি অনেক কমে যাবে। তা ছাড়া, ব্যবসা, শিক্ষা, পর্যটনসহ নানা কাজে বাংলাদেশে বেড়াতে যাওয়া বিদেশিরাও উপকৃত হবেন। এটি দেশের ভাবমূর্তিতে বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম (পিএসসি উপ-প্রকল্প পরিচালক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প), আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মালদ্বীপে রাজধানীর পাশাপাশি দ্বীপগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ই-পাসপোর্ট নিতে পারবেন দূতাবাস থেকে। এ ছাড়া, যারা রাজধানী থেকে দূরবর্তী আইল্যান্ডে থাকেন তারা দূতাবাসের কনসুলার ক্যাম্পে ভ্রাম্যমাণ ইউনিটের মাধ্যমেই ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।



