নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বিধবার বাড়িঘর দখল, জোরপূর্বক ওয়ারিশ সনদ করাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী জেসমিন নাহার জানান, গত ৯ ডিসেম্বর ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পর সদরের আলোকদিয়া গ্রামে তার বসতভিটা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর জোরপূর্বক দখল করে ঘরে তালা দিয়ে দেন। পরে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে তখন থেকে আলমগীর ও তার লোকজন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে গত শনিবার বিকেলে সদরের শাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। এ ছাড়া পৌর এলাকার গারুচোরা বাজারে আওয়ামী লীগ ও মৎস্যজীবী লীগ তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সভা করে। এ সভায় বক্তব্য দেন ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া, ভুক্তভোগী জেসমিন প্রমুখ।
চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, গত ১০ মার্চ আলমগীর হোসেন দলবল নিয়ে ইউনিয়ন অফিসে এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে আমার মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এরপর জমি জালিয়াতির কাগজপত্র জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। এ ঘটনার বিচারসহ জোরপূর্বক স্বাক্ষরকৃত ওয়ারিশ কায়েম সনদপত্র উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সরদার আলমগীর বলেন, বৈধভাবে তিন শতক জমি কিনেছি। ওই জমির মধ্যে বাড়ির অংশ পড়েছে। এ ছাড়া আমি ওয়ারিশ কায়েম সনদপত্রের জন্য শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদে যাইনি।



