মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হাটশ্রীকোল বসত বাড়ির পাশে কুমার নদের তীরের নির্জন স্থান থেকে রাজিয়া খাতুন (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘটিত কারণে ধারালো ব্লেড দিয়ে গলা কাটা হয়েছে।

নিহত স্কুলছাত্রী হাটশ্রীকোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা করতো।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নিখোঁজ হয়। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কমার নদের তীরে বাঁশ বাগানের পাশের একটি গর্তে লাশটি পাওয়া যায়। নিহত রাজিয়া খাতুন হাটশ্রীকোল গ্রামের মিখিজ শেখের মেয়ে।

নিহতের দাদা আসমত আলী শেখ জানান, তার নাতী (ছেলের মেয়ে) রাজিয়া খাতুন বিকেল ৩টার পর থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুজির পর শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বাড়ি থেকে একটু দূরে একটি ছোট মাটির গর্তে তার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়।

ঘটনাটি শ্রীপুর থানা পুলিশকে অবহিত করলে সকালে শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় ও ওসি তদন্ত মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল তৈরি করে লাশ উদ্ধার করেন। পরে সংবাদ পেয়ে মাগুরা পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

নিহতের বড় ভাই রাজু বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে বোন বাড়ির পাশে নদের চরে রসুনের ক্ষেত দেখতে যায়৷ এ সময় আমাদের গ্রামের একটি ছেলের আগাগোনা দেখা যায়। আমি তার নাম জানি না। আমার বোনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্রীটিকে নির্মমভাবে গলা কাটা হয়েছে। কারা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে এবং এর পেছনের কারণ তদন্ত করে বের করা হবে।