নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব হোসেন বিশ্বাসকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। তার অপসারণ নিয়ে নানা মহলে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
অর্থ আত্মসাৎ মামলায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি যশোরের স্পেশাল জেলা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ ১১ জনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেন। পাঁচ বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে এ মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন সোহরাব বিশ্বাস।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলা ১৪১২ সনে নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ হাট ও নড়াইল বাস টার্মিনাল ইজারা দিয়ে সাত লাখ ৮১ হাজার ২০ টাকা এবং বাংলা ১৪১১ সনে একই হাট চার লাখ ৪১ হাজার টাকা ইজারা দেয়া হয়। মোট ১২ লাখ ২২ হাজার ২০ টাকা পৌরসভায় জমা না দিয়ে তা আত্মসাৎ করেন তৎকালীন পৌরমেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ দণ্ডিত ব্যক্তিরা।
এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে নড়াইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র, কাউন্সিলর, সহকারী প্রকৌশলী, সচিব, ইজারাদারসহ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ব্যক্তিরা হলেন নড়াইল পৌরসভার তৎকালীন সচিব শফিকুল আলম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী ওয়াজিহুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আল মনসুর বিল্লাহ, আহম্মদ আলী খান ও তেলায়েত হোসেন, ইজারাদার রফিকুল ইসলাম, রাধে কুণ্ডু, ইজাজুল হাসান বাবু, জিল্লুর রহমান ও এইচ এম সোহেল রানা।
নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অপসারণ নিয়ে নানা গুঞ্জন
নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব হোসেন বিশ্বাসকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়...



