চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় ইনজেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগে নিজের আড়াই মাসের শিশুসন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে রেফার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে রাজশাহীতে নেয়ার পথে শিশু ইকবালের মৃত্যু হয়। পুলিশ এ ঘটনার পর অভিযুক্ত বাবা ইখলাসকে থানা হেফাজতে নিয়েছে। অভিযুক্ত ইখলাস চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মাঝেরপাড়ার কামাল উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকে।
বাড়িতে বসবাসকারী ভাড়াটিয়ারা জানান, ইখলাস তার শিশুসন্তানকে কখনোই কোলে নিত না। সে দিনে বাড়িতে থাকলেও রাতে কখনোই থাকত না। বুধবার সে শিশুপুত্র ইকবালের পায়ে ইনজেকশন পুশ করে। পরে শিশুটিকে সদর হাসপাতালে নিলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক। রাজশাহী নেয়ার পথে শিশু ইকবালের মৃত্যু হয়। পরে লাশ নেয়া হয় শিশুর নানাবাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামে। সেখান থেকে শিশু ইকবালের লাশ উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ। সন্ধ্যা ৭টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের একাডেমি মোড় থেকে ইখলাছ উদ্দিনকে আটক করা হয়। তবে ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গা সদরে হওয়ায় পরে তাকে সদর থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা মিতা খাতুন বাদি হয়ে স্বামী ইখলাসকে একমাত্র আসামি করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ বলেন, রাতেই এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে বোঝা যাবে এটা হত্যা কি না।