বগুড়ায় বিষমুক্ত পান চাষের শুরুতেই কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উৎসাহ বাড়াতে পান ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কৃষি মন্ত্রণালয়ের (গবেষণা) অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ।
শনিবার শিবগঞ্জ সচিয়ানি গ্রামে ১০০ জন পানচাষী কৃষাণ-কৃষাণির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর কীটতত্ত্ব বিভাগ ও বগুড়ার শিবগঞ্জ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের যৌথ আয়োজনে জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পানের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাঠ দিবস পালিত হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহা-পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শাক সবজি, ফল ও পান ফসলের পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক ও কীটতত্ত্ব বিভাগ গাজীপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টিএমএসএস‘র আইসিটি পরিচালক নিগার সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো ইউসুফ রানা মণ্ডল, ডাল গবেষণা কেন্দ্র পাবনার পরিচালক ড. মো: মহি উদ্দিন, মসলা গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাজহারুল আনোয়ার, কৃষিবিদ মো: দুলাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: ইকবাল ফারুক, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: আকতারুজ্জামান সরকার, ড. মো: জুলফিকার হায়দার প্রধান,কৃষিবিদ আল মোজাহিদ সরকার।
কৃষক সমাবেশের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক বালাই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সহযোগী সদস্য ও মসলা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: মোতাহার হোসেন। উপস্থিত চাষীরা কীটনাশকের প্রভাবে মানবদেহে বিভিন্ন মারাত্ম রোগের প্রকোপে মৃত্যু রোধে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে বিষমুক্ত পান উৎপাদনের উপর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এমন প্রযুক্তি বিজ্ঞানীগণ মাঠে নিয়ে আসায় তারা বেশ খুশি।
এর আগে মাননীয় সচিব মসলা গবেষণা কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কক্ষে অনুষ্ঠিত শাক সবজি, ফল ও পান ফসলের পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আঞ্চলিক প্রযুক্তি হস্তান্তর কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।



