ঘুষ নেয়ার দায়ে চুয়াডাঙ্গার স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলমকে (৫৩) তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাকে আরো ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত মাহমুদ আলম কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল বারীর ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, যশোর ডিভিশনের আওতায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে ঠিকাদাররা বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজ শেষ করে সিকিউরিটি মানি উত্তোলনের আবেদন করলে সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদ আলম দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম ঢাকার দুর্নীতি দমন প্রধান (দুদক) কার্যালয়ে সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। ২০১৫ সালের ১২ আগস্ট ঠিকাদার খাইরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার সময় মাহমুদ আলমকে টাকাসহ হাতেনাতে আটক করে উপপরিচালক আব্দুল গাফফারের নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম। এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।