কুষ্টিয়া শহরের হাউজিংয়ে এক প্রকৌশলীর স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার রাত ৯টার দিকে হাউজিং ডি ব্লকের বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত শেফালী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আনন্দ কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী। তিনি জানান, ‘আমরা দোতলায় থাকি। আমার স্ত্রী শেফালী সেখানেই ছিল। চারতলায় নির্মাণকাজ চলছে। আমি মিস্ত্রিদের সাথে সেখানেই ছিলাম। বাসায় নেমে দেখি আমার স্ত্রী পড়ে আছে। তার শাড়ি ও শরীর পোড়া। আছে আঘাতের চিহ্নও। ঘরে রক্ত ও ছাই পড়ে আছে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।’ আনন্দ কুমার আরো জানান ‘আমার মনে হয় ডাকাতি করতে এসে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তার গলা ও চোখের ওপরে জখম আছে।’ এ দিকে শেফালীর ভাই দীপক বিশ্বাসের দাবি, ‘এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আগুনে শরীরের সামান্য অংশ পুড়েছে। এতে একজনের মৃত্যু হতে পারে না। এর মধ্যে কোনো রহস্য আছে। এ রহস্য বের করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানাই।’ ঘটনাস্থলের পাশেই সিআইডির কুষ্টিয়া অফিস। তারা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। সিআইডির পরিদর্শক স্বপন কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঝিনাইদহ থেকে সিআইডির বিশেষজ্ঞ দল এসে আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছে।
সিলেটে যুবকের লাশ উদ্ধার
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট মহানগরীর আখালিয়া এলাকায় সাইফুর রহমান সুমন (২৬) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুমন সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সাদিপুর গ্রামের আশিকুর রহমানের ছেলে ও আখালিয়া নোয়াপাড়ার বন্ধন সি-১৩/২ বাসায় থাকতেন।
গত সোমবার রাত ৮টার দিকে আখালিয়া নোয়াপাড়ার বন্ধন সি-১৩/২ বাসা থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, বাসার লোকজন সুমনের গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তার ঝুলন্ত দেহ দেখে জালালাবাদ থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার নিচতলার রুমের জানালার গ্রিলের সাথে সুমনের গলায় ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।