চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামে মারধরের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে হিজলগাড়ি পুলিশ ক্যাম্প পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ সাতজনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে হোসেন আলীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ও আহতরা উভয়েই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
তবে পুলিশের দাবি, সম্প্রতি মারধরের ঘটনায় থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ দেখে অভিযুক্ত হোসেন আলী পালিয়ে যাওয়ার সময় টিনে তার কপাল কেটে যায়। তার পরিবারের সদস্যরা কপালে রক্ত দেখে পুলিশ মারধর করেছে বলে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এরপর হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
দর্শনা থানার ওসি এ এইচ এম লুৎফুল কবীর বলেন, পুলিশ কাউকে মারধর করেনি। একটি অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েছিল হিজলগাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে পুলিশ দেখে অভিযুক্ত হোসেন আলী প্রাচীর টপকে পালিয়ে যাচ্ছে। পালানোর সময় তার কপাল কেটে যায়।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ আইন প্রয়োগ করতে যায়, কাউকে মারধর করতে যায় না। হতে পারে আত্মরক্ষার্থে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকেও মামলা হতে পারে। পুলিশের কেউ দোষী থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।



