নওগাঁর মান্দায় পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১২ জন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে পাঠানো হয়েছে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
মঙ্গলবার ঈদুল ফিতরের দিন ও পরদিন বুধবার বিভিন্ন যানবাহনে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার কুমিরজৌল গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে তোতা মিয়া (২১) ও মান্দা উপজেলার দুর্গাপুর (নলকুড়ি) গ্রামের বয়েন উদ্দিন (৫৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের কুসুম্বা ফিলিং স্টেশন এলাকায় পিকআপ ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তোতা নামে এক যুবক নিহত হন। আহত ময়নুল হক (২৫) ও বারিক হোসেনকে (২২) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দু’জনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহত তোতার চাচা মাইনুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করে ভাতিজা তোতা বেড়ানোর জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর তার মৃত্যুর সংবাদ জানতে পারে পরিবার।
অন্যদিকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের চেয়ারম্যানের মোড়ের অদূরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৈনম দুর্গাপুর গ্রামের বয়েন উদ্দিন (৫৫) ও তার স্ত্রী খালেদা বেগম (৫০) গুরুতর আহত হন। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় বয়েন উদ্দিন মারা যান।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন, ময়নুল ইসলাম (৪৩), খালেদা বেগম (৫২), মুৃস্তাকিম (৪৪), সোহেল রানা (৪৭), জনাব আলী (৪৮), রকি (২০), জাহিদ হাসান (৩৫), রফিকুল ইসলাম (৩০), মাসুদ রানা (২৭), রবিউল ইসলাম (১৯) ও দীপঙ্কর (৩৪)।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় তোতা নামে এক যুবক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর দুর্ঘটনায় আহত বয়েন উদ্দিন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।



