বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় 'অশনি'র প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে বরগুনায়। মোকাবেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে এ অঞ্চলের ৬২৯ আশ্রয়ণ কেন্দ্র। সোমবার সকাল থেকে দিনভর চলছে টানা গুড়ি গুড়ি ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত।

’অশনি’র প্রভাবে টানা বর্ষণে ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

বরগুনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় 'অশনি' উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, সোমবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে আর পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এ কারণে পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: সুহৃদ সালেহীন বলেন, আমার এলাকায় মেডিক্যাল টিমসহ সকল ধরনের প্রস্ততি রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে মাইকিংসহ শুকনো খাবার মজুদ করে রাখা হয়েছে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুতি নিয়েছি। সঙ্কেত বাড়লে জরুরি সভা ডেকে ’অশনি’ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।