নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ভীমপুরে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক উল্যাকে (৩০) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে ধর্ষিতার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আবু বক্কর ছিদ্দিক উল্যা প্রথমে ওই গৃহবধূকে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ধর্ষক বিভিন্ন সময়ে ওই গৃহবধূকে ভিডিওটি তার স্বামী ও আত্মীয় স্বজনকে দেখাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে দেবে বলে ভয়ভীতি দেথায়। এক পর্যায়ে আবু বক্কর ছিদ্দিক ২০২১ সালে প্রবাসে চলে যাবে এবং ওই ভিডিও নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবে না বলে গৃহবধূর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু সে ৭-৮ মাস প্রবাসে থেকে আবার দেশে ফিরে আসে। ফিরে এসে সে আবারো ওই গৃহবধূর কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। গৃহবধূ তাকে নগদ ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেয়। অবশিষ্ট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাওয়ার জন্য ধর্ষক বক্কর স্ট্যাম্পে সুকৌশলে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে গৃহবধূর স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে সেটা অবগত করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবু বক্কর গত ১৯ মে গৃহবধূর স্বামীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে এবং তার সাথে থাকা স্বর্ণের চেন ও মোবাইলফোন নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী চাটখিল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রোববার রাতে আবু বক্কর ছিদ্দিক উল্যাকে গ্রেফতার করে।
চাটখিল থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন জানান, গ্রেফতারকৃত আবু বক্কর ছিদ্দিক উল্যাকে সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



