আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শরীয়তপুরের বিনোদপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ১২টি বসতবাড়ি ও ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পালং থানা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ইউপি নির্বাচনে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সাকিদারের সমর্থক ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদ মাদবরকে পরাজিত করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কোব্বাত মাদবর সদস্য নির্বাচিত হন। সেই থেকেই বিরোধ চলে আসছে। গত সোমবার রাতে এমদাদের সমর্থকদের সাথে বিজয়ী সদস্যের সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। মঙ্গলবার ভোর থেকে চেয়ারম্যান হামিদ সাকিদারের সমর্থকরা কোব্বাতের সমর্থকদের দোকান ও বাড়িতে ভাঙচুর করে। পরে কোব্বাতের সমর্থকরা প্রতিপক্ষ সমর্থকদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে।
পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।



