চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় আরো চারজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে জেলা কারাগারে নেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো যশোরের চৌগাছা থানার গুয়াতলী গ্রামের মৃত শের আলী মণ্ডলের ছেলে আতিয়ার রহমান। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া একই গ্রামের মৃত জহর আলী মণ্ডলের ছেলে আবদুল লতিফ, লিয়াকত আলীর ছেলে মোমিন, মৃত হুজুর আলী মণ্ডলের ছেলে আবদুল গনি ও একই উপজেলার বাদেখানপুর মাঝপাড়ার মৃত ইসমাইল বিশ্বাসের ছেলে আনোয়ার হোসেন আনুকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর এলাকার আজিমপুর স্কুলপাড়ার আবদুল কাদেরের মেয়ে জোসনা খাতুনের সাথে বিয়ে হয় চৌগাছার আতিয়ার রহমানের। এরপর তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের জেরে ২০১৪ সালের ২৬ জুন আতিয়ারসহ পাঁচ আসামি জোসনা খাতুনের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় সাবেক স্ত্রী জোসনাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় জোসনার মা তহমিনা খাতুন বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান তহমিনা খাতুন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে পরদিন দামুড়হুদা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তহমিনা খাতুনের স্বামী আবদুল কাদের। মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই মিজানুর রহমান।