জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যমুনার পানি বেড়ে দু‘তীরে উপচে পড়েছে, দেখা দিয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা। শনিবার বেলা ১২টায় যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
পানি বাড়ার ফলে পৌরসভাসহ উপজেলার আট ইউনিয়নের নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর তীরে দেখা দিয়েছে মারাত্মক ভাঙ্গন। এতে করে পাট, শাক-সবজির বাগানসহ অন্য ফসলাদি ভেসে যাচ্ছে।
দেওয়ানগঞ্জ, চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, বাহাদুরাবাদ, হাতিভাঙ্গা, পাররামপুর, চর আমখাওয়া ও ডাংধরা ইউয়িনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে দেখা গেছে, সেখানে নিম্মাঞ্চল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে এবং বিভিন্ন পয়েন্টে নদীতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। উপজেলা পরিষদ হতে দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশন-মুখি সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। বন্ধ হয়েছে যোগাযোগব্যবস্থা।
দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ী সড়কের মন্ডল বাজারে ২০০ মিটার সড়ক ধসে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আবুল কালাম আজাদ জানান, সবুজপুর থেকে পূর্ব জাবেদ মোড় এবং মহারাণী ব্রিজের কাছে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এই দুটি স্থানে ব্রিজ নিমার্ণের দাবি দীর্ঘ দিনের। এছাড়া কাঠারবিল, গয়ের ডোবা, সবুজপুর, চৌধুরীপাড়াসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অনতি বিলম্বে নদী ভাঙ্গন রোধ করা না হলে বিলীন হয়ে যেতে পারে প্রাচীন জনপদ ও ব্যবসাকেন্দ্র কাঠারবিল বাজার, এমএম কলেজ, এবি হাই স্কুল, কাঠারবিল মাদরাসা, ইউপি ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
তারা আরো জানান, শনিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ মো: আবুল কালাম আজাদের সাথে দেখা করে এসব সমস্যা অবহিত করেছি এবং একটি লিখিত আবেদন তাকে দিয়েছি। তিনি শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।



