নাগেশ্বরীতে বন্যার কিছুটা উন্নতি হলেও ফের পানি বাড়ার শঙ্কায় দুর্গত ৯ ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষ। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তারা।

এবারের বন্যায় প্লাবিত এলাকায় পানি বেশ উচ্চতায় প্রবাহিত হয়েছে। ঘর-বাড়ি, পথ-ঘাট, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, জলাশয় একাকার হয়ে যায়। মানুষ আশ্রয় নেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও খোলা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে পানি কমতে শুরু করলে আশায় বুক বাধেন তারা। কারো কারো ঘর-বাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করলে শেষ বিকেলে তারা বাড়িতে ফেরেন। সন্ধ্যার পরে হঠাৎ স্থির হয়ে যায় পানি। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

এদিকে নদী ও লোকালয়ের পানির উচ্চতা এখনো সমান প্রায়। উজানে বৃষ্টি হলে ফের লোকালয়ে ঢুকতে পারে পানি। এতে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বন্যা। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বানভাসিরা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম জানান, ‘আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি। সামগ্রিকভাবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বানভাসিদের মাঝে সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত আছে ‘

তিনি বলেন, বুধবারও ত্রাণ সহায়তা নিয়ে দুর্গত নারায়ণপুর এলাকায় গেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান ও নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আহমেদ মাছুম। তারা সেখানে ৪৫০ জন দুর্গত মানুষকে জনপ্রতি ১০ কেজি চাউল, এক লিটার তেল, এক কেজি লবণ ও শিশু খাদ্য হিসেবে এক কেজি সুজি, এক কেজি চিনি, ৫০০ গ্রাম গুড়া দুধ দেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান জানান, পানি নেমে গেলেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।