লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজু চৌধুরীর হাটের ফেরিঘাট ইজারা নিয়ে দুই ইজারাদার মুখোমুখি অবস্থান করায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে নৌবন্দর এলাকায়। যেকোনো সময় দুই ইজারাদারদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেঁধে যেতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দুই দফতর থেকে ইজারা নিয়ে দু’পক্ষ ঘাট এলাকায় পাল্টাপাল্টি অবস্থান করছে। দুই ইজারাদারের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত নৌঘাট এলাকায় মহড়া দিচ্ছে।
ইজারাদার শিমুল চক্রবর্তী জানান, তিনি এ ফেরিঘাট বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) থেকে ইজারা নিয়েছেন। একই সময় ইসমাইল হোসেন পাঠান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস (স্থানীয় সরকার বিভাগ) থেকে ইজারার নেন। এতে করে আইনি জটিলতার দরুণ ক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন তিনি। এতে আদালত বিভাগীয় কমিশনার থেকে ইজারা নেয়া চুক্তিটি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে রুল জারি করেন।
এ দিকে দ্বিতীয় পক্ষ ইজারাদার ইসমাইল হোসেন পাঠান গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাট এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, যেহেতু তিনি বৈধ ইজারাদার এবং হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করবেন। তাই অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনিই ইজারাঘাট ভোগ করবেন এবং টোল আদায় করবেন।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, বিষয়টি সম্পর্ক তারা অবগত রয়েছেন। ঈদমুখী যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি ও সব অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।



