সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ও মাহমুদা খানম মিতু দম্পতির দুই শিশুসন্তানের জবানবন্দী গ্রহণকালে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের আদেশ ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন বাবুলের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় মাগুরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে হাজির হয়ে মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু জাফর মো: ওমর ফারুক শিশুদের তিন ঘণ্টা ধরে জবানবন্দী গ্রহণ করেন।
বাবুল আক্তারের দুই শিশুসন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ২৩ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল নম্বর ০৭, শিশু আদালত চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ ফেরদৌস আরা মাগুরা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে শিশু আইন মেনে জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ দেন। এক বছর আগে আদালতের নির্দেশনা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা না এসে শিশুদের চট্টগ্রামে হাজির করার উদ্দেশ্যে চেষ্টা করতে থাকে। এতে শিশুদের চাচা অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাইকোর্টে রিভিশন করেন। হাইকোর্ট গত ৮ জুন আবার তদন্ত কর্মকর্তাকে মাগুরা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন বলে শিশুদের চাচা দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, হাইকোর্টের আদেশ ছিল ভয় ভীতিহীন পরিবেশে শিশুদের জবানবন্দী গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টের আদেশের বাইরে অতিরিক্ত একজন লোক নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন। জবানবন্দী গ্রহণের সময় তদন্ত কর্মকর্তা কক্ষের বাইরে এসে ঊর্ধ্বতন একজনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে সমাজসেবা কার্যালয়ের ছাদে চলে যান। এ ছাড়া ঝিনাইদহ থেকেও পিবিআইর একটি টিম সকালে এসে সমাজসেবা কার্যালয়ে অবস্থান নেন। এর মাধ্যমে শিশুসন্তানরা মানসিকভাবে চাপে পড়ে। এটি আদালতের আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
মাগুরায় বাবুল-মিতুর ২ শিশু সন্তানের জবানবন্দী গ্রহণ
তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ও মাহমুদা খানম মিতু দম্পতির দুই শিশুসন্তানের জবানবন্দী গ্রহণকালে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের আদেশ ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন বাবুলের ছোট ভাই...



