নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিতসহ সহিংসতায় মির্জাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মুরসালিনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। এসআই মুরসালিন মির্জাপুর কলেজে সৃষ্ট ঘটনার বাদিও। গত ২৭ জুন বাদি হয়ে ১৭০ জনের নামে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
এ দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদুর রহমান জানান, গত রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের মনিহার এলাকা থেকে এ মামলার আসামি নূরন্নবীকে (৪৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। এ পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতারকৃত নূরন্নবী নড়াইল সদরের গোবরা এলাকার ফয়েজ চৌকিদারের ছেলে এবং ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান।
অপর দিকে, গত রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদা চারজনের তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সোমবার (৪ জুলাই) থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত রিমান্ড চলবে। রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলো- অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী রহমত উল্লাহ রনি ও মোবাইল মেকার শাওন খান এবং রিমন ও মনিরুল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র রাহুল দেব রায় নিজের ফেসবুক আইডিতে ভারতের বিতর্কিত রাজনৈতিক নেত্রী নূপুর শর্মার ছবি ব্যবহার করে লেখে-প্রণাম নিও বস ‘নূপুর শর্মা’ জয় শ্রীরাম। এ পোস্ট দেয়ার পর গত ১৮ জুন সকালে কলেজে আসে রাহুল। এরপর তার বন্ধুরা পোস্টটি মুছে ফেলতে বললেও সে পোস্ট মুছেনি রাহুল।