নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম শহীদুল্লাহর একটি বসতঘরের সীমানা ভাঙচুরের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। এতে নাসিক মেয়র ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভী, জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজসহ ১৬ জনকে বিবাদি করা হয়েছে। মামলার বাদি এম শহীদুল্লাহর ছেলে অ্যাডভোকেট শাহ মো: আলমগীর কবির। এম শহীদুল্লাহ মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। আদালত মামলার আর্জি গ্রহণ করে বিবাদিদের প্রতি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা এম শহীদুল্লাহ এবং তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের পক্ষে তাদের ছেলে অ্যাডভোকেট শাহ মো: আলমগীর কবির বাদি হয়ে নারায়ণগঞ্জ প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এস এম মাসুদ জামানের আদালতে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদি অ্যাডভোকেট শাহ মো: আলমগীর কবির জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন তাদের নিজস্ব সার্ভেয়ার দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো কয়েক দিন পরপরই পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকায় ৬ শতাংশ জমির সীমানা ঘেঁষে নির্মাণাধীন বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। আমরা চাই এই বিষয়টি যেন আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। আদালত যা আদেশ দেবেন আমরা সেটাই মেনে নেবো। কিন্তু তাদের একতরফা সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিতে পারি না। তাই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।



