পাবনার চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়িতে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ নাছিমা খাতুনকে হত্যার ঘটনায় স্বামী সিফাত আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সিফাত আলী চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়ি স্কুলপাড়ার রব্বেলের ছেলে। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের মুক্তি দেয়া হয়। নাছিমা খাতুন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ভিটাকাজিপুর গ্রামের আরদেশ প্রামাণিকের মেয়ে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নাসিমাকে পরিবারের লোকজন নিয়ে মারধর ও গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যায় সিফাত। পরে নিহতের বাবা আরদেশ প্রামাণিক বাদি হয়ে চাটমোহর থানায় পাঁচজনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় ও ৯ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে এ রায় ঘোষণা করা হলো।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইতি হোসেন মুক্তি এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব।
পাবনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ
পাবনার চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়িতে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ নাছিমা খাতুনকে হত্যার ঘটনায় স্বামী সিফাত আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া...



