কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পরকীয়া সন্দেহে দা দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গত রোববার দিবাগত রাতে পৌর এলাকার কাওয়ালীটারীতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবার জানায়, প্রায় এক যুগ আগে কাওয়ালীটারীর বাহার উদ্দিনের তালাকপ্রাপ্তা মেয়ে এক সন্তানের জননী রেহেনা খাতুনের (৩২) বিয়ে হয় পশ্চিম কুটিনাওডাঙ্গা গ্রামের মৃত শরীয়তুল্লাহ মুন্সীর ছেলে আনছার আলীর (৫৫) সাথে। কাওয়ালীটারীতে ঘরবাড়ি করে প্রথম পক্ষের ছেলেকে নিয়ে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তাদের এ সংসারে জন্ম নেয় এক মেয়ে। কিন্তু স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে তাদের সংসারে অশান্তি দেখা দেয়। রোববার রাতে এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্বামী আনছার আলী ধারালো দা দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে রেহেনাকে মারাত্মক জখম করে। তা দেখে সন্তানরা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে। এ সময় পরিবারের লোকজন দৌড়ে এসে আনছারকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে রাতেই পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। এ দিকে গুরুতর অসুস্থ রেহানাকে রংপুর মেডিক্যালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন বাদি হয়ে আনছার আলীকে আসামি করে নাগেশ্বরী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নাগেশ্বরী থানার ওসি (তদন্ত) তামবিরুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নাগেশ্বরীতে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পরকীয়া সন্দেহে দা দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গত রোববার দিবাগত রাতে পৌর এলাকার কাওয়ালীটারীতে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ...



