পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মিরুখালীর ছোট হারজী গ্রামের বিধবা মঞ্জু রানী বেপারীর (৬২) শতবর্ষী ঘর ভাঙচুরের পর লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে, মামলা না নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাবে বিধবার দেবর স্বপন কুমার বেপারী এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন।

মঞ্জু রানী মিরুখালীর ছোট হারজী গ্রামের মৃত শিবাশীষ বেপারীর স্ত্রী।

অভিযোগে বলা হয়, থানা মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে ভাঙচুর ও লুট মামলা না নিয়ে চুরি মামলা নেয় থানা।

অভিযুক্তরা হলেন- সুব্রত বেপারী, সুভাষ বেপারীসহ আরো কয়েকজন।

লিখিত বক্তব্য ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ‘শিবাশীষ বেপারীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও দু’ছেলে ব্যবসায়ীক কারণে যশোরে অবস্থান করেন। যার ফলে তাদের বসত ঘরটি তালাবদ্ধ থাকে। এ সুযোগে শিবাশীষের চাচাত ভাই সুব্রত বেপারীর লোলুপ দৃষ্টি পরে বসত বাড়ির ওপর। গত সোমবার ভোর ৫টার দিকে সুভাষ বেপারীর নেতৃত্বে ১৮ থেকে ২২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মঞ্জুর ঘরটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। পরে ঘরের মূল্যবান কাঠ, টিন, ঘরে রক্ষিত মূল্যবান খাট আলমারিসহ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় মঠবাড়িয়া থানায় বারবার যোগাযোগ করলেও থানা পুলিশের সহযোগিতা না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ততক্ষণে দুর্বিত্তরা মালামল নিয়ে পালিয়ে যায়।’

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘বাদি যেভাবে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে আমরা সেভাবে মামলা নিয়েছি। ওই সময় তাৎক্ষণিকভাবে দু’জনকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করি।’