ভোলার বোরহানউদ্দিনে মাদরাসার লাকড়ির মাঁচার চাপায় সামিয়া (১০) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরো চারজনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের আগে উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমা খাতুন দারুল তাকওয়া বালিকা মাদরাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সামিয়া কাচিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ বাবুলের মেয়ে।

ঘটনায় আহতরা হলেন- কামরুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া (৯), মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে উম্মে হাবিবা, হাবিবুর রহমনের মেয়ে সামিয়া (১০), মোহাম্মদ মাসুদের মেয়ে সুমাইয়া (১১)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আহত শিক্ষার্থী ও তাদের স্বজনরা জানান, বিকেল থেকে ওই মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাদরাসার লাকড়ি ঘরে মাঁচার ওপর লাকড়ি তোলা হয়। মাগরিবের নামাজের আগে হঠাৎ লাকড়ির ভর বেশি হওয়ায় ঘরের মাঁচা ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলেই সামিয়ার মৃত্যু হয়। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

বোরহানউদ্দিন হাসপাতালের চিকিৎসক রেজওয়ান জানান, আহতদের মাথাসহ বিভিন্ন অংশে ক্ষত রয়েছে। তবে আপাতত আশঙ্কার কিছু নেই।

মাদরাসার পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহিন ফকির বলেন, কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।