উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের পর লিখিত মুচলেকা দিয়ে ঠাকুরগাঁও সদরের রুহিয়ার সংবাদকর্মী আপেল মাহমুদের সাথে মীমাংসা করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য।
রোববার দুপুরে আখানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ইউপি চেয়ারম্যান রোমান বাদশার বাসভবনে বিষয়টি সমাধান হয়।
সাংবাদিক আপেল মাহমুদ ও আখানগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিপ্লব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে ১৯ জুলাই দুপুরে হামলা ও হুমকির ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন সাংবাদিক আপেল মাহমুদ। এ নিয়ে প্রথম আলো, কালের কণ্ঠসহ বেশ কিছু গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। আপেল মাহমুদ দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।
আপেল মাহমুদ জানান, শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছবি তুলতে যাই। এ সময় মোবাইল কেড়ে নেয় আখানগর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হুমায়ূন কবির বিপ্লব।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বিপ্লব বলেন, সাংবাদিকের সাথে খারাপ আচরণ করায় আমি অনুতপ্ত। ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিষয়টির জন্য হাত ধরে ক্ষমা চেয়েছি প্রয়োজন হলে পা ধরে ক্ষমা চাইতে পারব। ভবিষ্যতে আর কোনো দিন এ রকম কাজ করব না বলে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছি।’
আপেল মাহমুদ জানান, ইউপি সদস্য নিজের ভুল বুঝতে পেরে, ঠাকুরগাঁও অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি বিধান দাস, সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম রঞ্জুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মুচলেকা দিয়ে সমাধান করেন।
আখানগর ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘সাংবাদিক ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের মধ্যে সৃষ্ট সমস্যাটি সুরাহা হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য ওই ইউপি সদস্যকে সতর্ক করা হয়েছে।’



