ময়মনসিংহের ভালুকায় রাতের আঁধারে ডায়নামিক টেক্সটাইল মিলের কোটি কোটি টাকা মূল্যের মালামাল লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল কেয়ারটেকারের সাথে যোগসাজশে এসব মালামাল লুটপাট করে নিচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। উল্লেখ্য, জনতাসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কাছে টেক্সটাইল মিলটি দায়বদ্ধ রয়েছে।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯০ দশকে ভালুকা উপজেলার ধামশুর আখালিয়াপাড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্বপাশে ডায়নামিক টেক্সটাইল মিলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উপজেলায় প্রথম প্রতিষ্ঠিত এই মিলটি ভালোভাবেই পরিচালিত হয়েছিল। কর্মসংস্থানও হয়েছিল এলাকার কয়েকশ’ নারী-পুরুষের।
কিন্তু ব্যাংকের দেনার কারণে মিলটি ২০০৬ সালের ২১ জুন বন্ধ করে দেন মালিকপক্ষ। বেকার হয়ে পড়ে এলাকার শত শত শ্রমিক। পরে কেয়ারটেকারকে দিয়ে পাহারায় বসিয়ে মিলটি ফেলে রাখা হয়। এ দিকে ব্যাংকের সাথে মামলা চলমান থাকাবস্থায় ২০১৭ সালে মালিক পক্ষ ব্যাংকের অসাধু লোকজনের যোগসাজশে মিলের কোটি কোটি টাকার মেশিনারীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ রাতের আঁধারে বিক্রি করে দেয়া হয়।
মিলের কেয়ারটেকার দিলদার হোসেন জানান, তিনি মিলটি বন্ধের পর থেকে এখানে কর্মরত। তবে, মিলের সব কিছুই ভালুকার আবুল মুনসুর হায়দার খসরুর হেফজতে রয়েছে। তার মাধ্যমেই মিলের মালামাল গোপনে বিক্রি করে দিচ্ছেন মালিক পক্ষ।
আবুল মুনসুর হায়দার খসরুর সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি কোটি কোটি টাকার মালামাল বিক্রির বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভালুকা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, বিষয়টি তার জানা নেই এবং এ ব্যাপারে তার কিছু করণীয়ও নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না।
ভালুকায় মিলের কোটি টাকার মালামাল লোপাট!
ময়মনসিংহের ভালুকায় রাতের আঁধারে ডায়নামিক টেক্সটাইল মিলের কোটি কোটি টাকা মূল্যের মালামাল লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল কেয়ারটেকারের সাথে যোগসাজশে এসব মালামাল লুটপাট করে...



