নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একটি মামলা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পুলিশ মামলাটি দায়ের করেছে। মামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ৭১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ মামলায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আসামির তালিকায় জেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি আব্দুর সবুর সেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল আল ইউসুফ খান টিপু, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, বিএনপি নেতা হাসান আহমেদ, যুবদল নেতা জাহিদ হাসান রোজেল, মশিউর রহমান রনি, মাজাহারুল ইসলাম জোসেফ, একরামুল কবির মামুনসহ ৭১ জন বিএনপির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আনিচুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুলিশের উপর হামলা, পুলিশ বক্স ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আটক ১০ জনকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিকেলে তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন আবদুস সাত্তার (২২), মজিবুর রহমান (৫২), অঞ্জন কুমার দেবনাথ (৩৬), রাজিব (৩৮), মো: জনি (৩৮), বাদল (৩৮), আবুল কালাম ভূইয়া (৪৮), রিমন (২২), ইমন ও সোহান (১৬)।
এদিকে ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ। আগামী রোববার ১০ আসামির রিমান্ড শুনানি ধার্য করে সকল আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ মহসিন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় আদালতে আসামি পাঠানোর পর এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর মো: আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আমির খসরু বলেন, ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল ও এর আশপাশ থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



