জামালপুরের মেলান্দহে নাংলা ইউনিয়নের চিনিতোলা গ্রামসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের মাদারদহ নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের তৈরি একটি ভাঙা সাঁকো। হরিপুর, হরিপুর পাথালিশা, বাগুরপাড় নাংলা, বয়রাডাঙ্গা, তালুকদারপাড়া, কুলিয়া ইউনিয়নের চিনিতোলা, পীরগাছা, তেঘুরিয়া, সিরিঘাট, পুগলিপাড়, মাহমুদপুর ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ি, পয়লা, ঠেংগাপাড়া গ্রামসহ আরো কয়েকটি গ্রামের মানুষ মাদারদহ নদী পার হতে বাঁশের এই ভাঙা সাঁকোকেই ব্যবহার করতে হয়।
নাংলা ইউনিয়নের চিনিতোলা তালতলা বাজারসংলগ্ন পশ্চিমে মাদারদহ নদীর শাখার ওপর নির্মিত বাঁশের এই ভাঙা সাঁকোটি। সাঁকোটির ওপর দিয়ে দৈনিক কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এ ছাড়া আছে স্কুল পড়–য়া শিশু, কিশোর ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
নবম শ্রেণীর স্কুল শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ জানায়, বৃষ্টি-বাদল ও বন্যার আমাদের ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। এখানে বাঁশের নয়, ইট-সিমেন্টের সেতু তৈরি করে দেয়া উচিত। ঠেংগে পাড়া এলাকার হারুনুর রশিদ জানান, মানুষের ভারে যেকোনো মুহূর্তে সাঁকোটি ভেঙে পড়তে পারে। কর্তৃপক্ষের এহেন অবহেলা সত্যিই দুঃখজনক।
জামালপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুজ্জামান সাদেক বলেন, বাঁশের সাঁকোর জায়গায় ব্রিজ নির্মাণের পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
মেলান্দহে ২০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো
জামালপুরের মেলান্দহে নাংলা ইউনিয়নের চিনিতোলা গ্রামসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের মাদারদহ নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের তৈরি একটি ভাঙা সাঁকো। হরিপুর, হরিপুর পাথালিশা, বাগুরপাড় নাংলা,...



