পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলার ধানিসাফা গ্রামে আলম বেপারীর বাড়ির পিছনের ডোবা থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত হেলাল হোসেন পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার সাউথখালী গ্রামের আব্দুল কাদের গাজীর ছেলে ও পেশায় একজন ইলেকট্রনিক্স মেকানিক।

১১ দিন ধরে নিখোঁজের পর রোববার রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় নিহতের বোন মিনারা বেগম (৩৮) ভাবী সাজেদা বেগম মনির (২১) বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ পলাতক সাজেদা বেগম মনিকে স্বরূপকাঠি উপজেলা শহর থেকে গ্রেফতার করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্রেফরকৃত মনিকে মঠবাড়িয়া থানায় আনা হয়নি।

মামলা সূত্রে ও ধানীসাফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: খোকন খান জানান, হেলাল ধানীসাফা গ্রামের তার স্ত্রী সাজেদা বেগমকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় থাকত এবং একটি ভবনের কেয়ারট্রেকারের পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক্স মেকানিক হিসেবে কাজ করত। তাদের তাবাসসুম নামের দেড় বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বিভিন্ন সময় স্ত্রীর সাথে হেলালের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো। কিছুদিন আগেও হেলালের সাথে তার স্ত্রীর টাকা নিয়ে ঝগড়া হয়।

গত ২৫ আগস্ট পারিবারিক বিরোধের জের ধরে রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। পরে রাতে হেলাল নিখোঁজ হন। স্থানীয় ভাবে অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
রোববার বিকেলে এক নারী শাক তুলতে গিয়ে স্থানীয় আলম বেপারীর বাড়ির পিছনে একটি ডোবায় অর্ধগলিত অবস্থায় হেলালের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আসামি নিহতের স্ত্রী সাজেদা বেগম মনিকে স্বরূপকাঠি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে নিহত ওই যুবকের নিঁখোজ থাকার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানাকে জানানো বা কোনো সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি।