কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবিদ্বারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষিকা হাজেরা বেগম (৪০) ও তার নাতি আবির (৫) নামে দু‘জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিএনজিচালক ছাড়া একই পরিবারের আরো তিনজন আহত হন।
শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বড়শালঘরি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হাজেরা বেগম বজলুর রহমানের স্ত্রী এবং উপজেলার ধামতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
আহতরা হলেন- নিহত হাজেরা বেগমের স্বামী বজলুর রহমান (৬৫), মেয়ে মনিরা আক্তার (১৪), নাতি আশিক (৭) ও সিএনজি চালক আব্দুল আলীমের ছেলে শান্ত (২০)।
যাত্রী পাঁচজন দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের নিজাম উদ্দিন ফকির বাড়ির অধিবাসী। এছাড়া সিএনজির চালক দেবিদ্বার পৌর এলাকার উত্তর ভিংলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে একই পরিবারের পাঁচজন সিএনজি দিয়ে উপজেলার বড়শালঘর গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে দেবিদ্বার পৌর এলাকার সাইলচর এলাকায় পেছন থেকে আসা ট্রাকের চাপায় সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে চালক ও পাঁচযাত্রী মারাত্মক আহত হন। আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) পাঠানো হয়। কুমেক হাসপাতালে নেয়ার পর শিক্ষিকা হাজেরা বেগম ও তার নাতি আবিরের মৃত্যু হয়।
আশংকাজনক অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে বজলুর রহমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো: কামাল উদ্দিন জানান, আমাদের পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত নিহত কাউকে পায়নি। দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেয়েও কোনো তথ্য নিতে পারেনি। দুর্ঘটনায় কবলিত দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সিএনজি ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।



